স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গতকাল মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট ২০১২-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত আইনে রূপ পেলে আইনজীবীদের সনদ প্রদানের ক্ষমতা আর বার কাউন্সিলের থাকবে না। পরোক্ষভাবে সেটা চলে যাবে সুপ্রিমকোর্টের হাতে।
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে বার কাউন্সিলের সচিব পদে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জজ পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। নবীন আইনজীবীদের সনদ প্রদান ও তালিকাভুক্তির জন্য বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে পাঁচ সদস্যের একটি এনরোলমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। এছাড়া হাইকোর্ট বিভাগের দুইজন বিচারক, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের একজন সদস্য এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন। বর্তমান প্রচলিত আইনে একজন বিচারক ও বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য দ্বারা তিন সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়। বর্তমান প্রচলিত আইনে এনরোলমেন্ট কমিটির সভাপতি হলেন বার কাউন্সিলের নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি। এ ক্ষমতা খর্ব করে প্রস্তাবিত আইনটি জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হলে আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি বিষয়ে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির আর বিন্দুমাত্র ক্ষমতা থাকবে না। বর্তমান নবনির্বাচিত বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির সভাপতি ব্যরিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের কাছে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি আমার দেশ-কে বলেন, সারাদেশের আইনজীবীরা ভোট দিয়ে বর্তমান বার কাউন্সিলকে নির্বাচিত করেছে। আইনজীবীদের এ ম্যান্ডেট সরকার মেনে নিতে পারছে না। এজন্যই বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করার জন্য সরকার এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। গণতান্ত্রিকভাবে আইনজীবীদের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা খর্ব করার জন্যই নতুন আইন তৈরি করছে। এতেই প্রমাণ করে, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। কোনোমতেই পরাজয় মেনে নিতে পারে না। আইনজীবীদের ম্যান্ডেট সরকার মেনে নিতে না পেরে ষড়যন্ত্রমূলক এখন নতুন আইন তৈরি করছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুনে অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের নির্বাচনে বিরোধী দলের সমর্থক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের চরম ভরাডুবি হয়। এর আগে স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ ৪০ বছর আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীদের প্যানেল বার কাউন্সিল নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। এবারই প্রথম এ সংস্থাটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া হয়। এতেই সংক্ষুব্ধ হয়ে সরকার বার কাউন্সিলের ক্ষমতা কৌশলে নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন আইন তৈরি করছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, সংশোধিত আইন কার্যকর হলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জজ পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তাকে বার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে। বিদ্যমান আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলা ছিল না। এছাড়া আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি এনরোলমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে—যার চেয়ারম্যান হবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। হাইকোর্টের দুইজন বিচারক, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের একজন সদস্য এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
তিনি বলেন, এছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতি বছর ২৬ এপ্রিল বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস পালনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। দেশে গত কয়েক বছর ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে মেধাসম্পদ দিবস পালন করা হলে আগে এটি ক্যালেন্ডারভুক্ত ছিল না। এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হবে। নাবিকদের সনদ দেয়া সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অনুসমর্থন দেয়ার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে নেয়া এবং ১৯৮৪ সাল থেকে কার্যকর এ কনভেনশনটি গত ২০১০ সালে সংশোধন ও অনুস্বাক্ষর (রেটিফাই) করা হয়। এ কারণে এতে আবারও বাংলাদেশের অনুসমর্থনের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ কনভেনশনে অনুসমর্থনে নাবিক প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন দেশের জাহাজে বাংলাদেশী নাবিকদের কর্মসংস্থান সহজ হবে।
মন্ত্রিসভা বৈঠকের অপর এজেন্ডার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২-এর খসড়া উপস্থাপন হলেও তা আরও সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য ফেরত পাঠানো হয় বলে সচিব জানান।
এ বিষয়ে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমার দেশ-কে জানান, বার কাউন্সিলকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর কোনো ষড়যন্ত্র আইনজীবী সমাজ মেনে নেবে না। তিনি বলেন, সরকার সমর্থক প্যানেল বার কাউন্সিলে চরমভাবে পরাজিত হওয়ার পর নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বার কাউন্সিল কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াবে। তিনি জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ১৮ অক্টোবর বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, শুধু অ্যানরোলমেন্ট কমিটির নিয়ন্ত্রণ নয়, সরকার বার কাউন্সিলকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে সব ক্ষমতা খর্ব করতে চাচ্ছে। সরকার সচিব নিয়োগ দেবে, কোনো বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে হলে সরকারের অনুমোদন লাগবে— এরকম বিধানও করা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে। এই আইন পাস হলে বার কাউন্সিলের আর কিছুই থাকবে না। তিনি বলেন, সরকারের এই আচরণই প্রমাণ করছে, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল নয়। ৪৮ হাজার আইনজীবীর প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বার কাউন্সিল। আইনজীবীরা স্বাধীন। আইনজীবী সমাজকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব
স্টাফ রিপোর্টার
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে বার কাউন্সিলের সচিব পদে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জজ পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। নবীন আইনজীবীদের সনদ প্রদান ও তালিকাভুক্তির জন্য বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে পাঁচ সদস্যের একটি এনরোলমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। এছাড়া হাইকোর্ট বিভাগের দুইজন বিচারক, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের একজন সদস্য এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন। বর্তমান প্রচলিত আইনে একজন বিচারক ও বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য দ্বারা তিন সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়। বর্তমান প্রচলিত আইনে এনরোলমেন্ট কমিটির সভাপতি হলেন বার কাউন্সিলের নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি। এ ক্ষমতা খর্ব করে প্রস্তাবিত আইনটি জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হলে আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি বিষয়ে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির আর বিন্দুমাত্র ক্ষমতা থাকবে না। বর্তমান নবনির্বাচিত বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির সভাপতি ব্যরিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের কাছে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি আমার দেশ-কে বলেন, সারাদেশের আইনজীবীরা ভোট দিয়ে বর্তমান বার কাউন্সিলকে নির্বাচিত করেছে। আইনজীবীদের এ ম্যান্ডেট সরকার মেনে নিতে পারছে না। এজন্যই বার কাউন্সিলের ক্ষমতা খর্ব করার জন্য সরকার এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। গণতান্ত্রিকভাবে আইনজীবীদের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা খর্ব করার জন্যই নতুন আইন তৈরি করছে। এতেই প্রমাণ করে, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। কোনোমতেই পরাজয় মেনে নিতে পারে না। আইনজীবীদের ম্যান্ডেট সরকার মেনে নিতে না পেরে ষড়যন্ত্রমূলক এখন নতুন আইন তৈরি করছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুনে অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের নির্বাচনে বিরোধী দলের সমর্থক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের চরম ভরাডুবি হয়। এর আগে স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ ৪০ বছর আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীদের প্যানেল বার কাউন্সিল নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। এবারই প্রথম এ সংস্থাটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া হয়। এতেই সংক্ষুব্ধ হয়ে সরকার বার কাউন্সিলের ক্ষমতা কৌশলে নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন আইন তৈরি করছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, সংশোধিত আইন কার্যকর হলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জজ পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তাকে বার কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে। বিদ্যমান আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলা ছিল না। এছাড়া আইনজীবীদের তালিকাভুক্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি এনরোলমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে—যার চেয়ারম্যান হবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। হাইকোর্টের দুইজন বিচারক, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের একজন সদস্য এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
তিনি বলেন, এছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতি বছর ২৬ এপ্রিল বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস পালনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। দেশে গত কয়েক বছর ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে মেধাসম্পদ দিবস পালন করা হলে আগে এটি ক্যালেন্ডারভুক্ত ছিল না। এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হবে। নাবিকদের সনদ দেয়া সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অনুসমর্থন দেয়ার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে নেয়া এবং ১৯৮৪ সাল থেকে কার্যকর এ কনভেনশনটি গত ২০১০ সালে সংশোধন ও অনুস্বাক্ষর (রেটিফাই) করা হয়। এ কারণে এতে আবারও বাংলাদেশের অনুসমর্থনের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ কনভেনশনে অনুসমর্থনে নাবিক প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন দেশের জাহাজে বাংলাদেশী নাবিকদের কর্মসংস্থান সহজ হবে।
মন্ত্রিসভা বৈঠকের অপর এজেন্ডার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২-এর খসড়া উপস্থাপন হলেও তা আরও সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য ফেরত পাঠানো হয় বলে সচিব জানান।
এ বিষয়ে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমার দেশ-কে জানান, বার কাউন্সিলকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর কোনো ষড়যন্ত্র আইনজীবী সমাজ মেনে নেবে না। তিনি বলেন, সরকার সমর্থক প্যানেল বার কাউন্সিলে চরমভাবে পরাজিত হওয়ার পর নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বার কাউন্সিল কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াবে। তিনি জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ১৮ অক্টোবর বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, শুধু অ্যানরোলমেন্ট কমিটির নিয়ন্ত্রণ নয়, সরকার বার কাউন্সিলকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে সব ক্ষমতা খর্ব করতে চাচ্ছে। সরকার সচিব নিয়োগ দেবে, কোনো বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে হলে সরকারের অনুমোদন লাগবে— এরকম বিধানও করা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে। এই আইন পাস হলে বার কাউন্সিলের আর কিছুই থাকবে না। তিনি বলেন, সরকারের এই আচরণই প্রমাণ করছে, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল নয়। ৪৮ হাজার আইনজীবীর প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বার কাউন্সিল। আইনজীবীরা স্বাধীন। আইনজীবী সমাজকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব


0 comments:
Speak up your mind
Tell us what you're thinking... !